Saif
Senior Member
- Messages
- 17,591
- Likes
- 8,463
- Nation

- Residence

- Axis Group

আদালতের নির্দেশ স্বত্ত্বেও সুন্দরবনে বন্ধ হচ্ছে না ‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক’
এ বিষয়ে এখনই কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এর ভয়াবহতা আরও বাড়বে।
আদালতের নির্দেশ স্বত্ত্বেও সুন্দরবনে বন্ধ হচ্ছে না 'সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক'
এ বিষয়ে এখনই কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এর ভয়াবহতা আরও বাড়বে।
প্লাস্টিক দূষণে হুমকিতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য। ছবি: স্টার
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সুন্দরবন ও এর আশেপাশের নদী-খালগুলোতে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদারকির অভাবে এই প্লাস্টিকের ব্যবহার কোনোভাবেই কমিয়ে আনা যাচ্ছে না। তাছাড়া ব্যবহারকারীদের অসচেতনতার অভাবে সুন্দরবনসহ উপকূলীয় অঞ্চলে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার দিনদিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যবহারের উপযোগিতা ও সহজলভ্য হওয়ায় এটি এখন নিত্য ব্যবহার্য পণ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পরিবেশবাদী ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ বিষয়ে এখনই কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এর ভয়াবহতা আরও বাড়বে।
দেশের উপকূলীয় এলাকার হোটেল, মোটেল ও রেস্তোরাঁয় একবার ব্যবহারের পর বর্জ্য হয়ে যায় এমন প্লাস্টিক সামগ্রীর ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা আছে হাইকোর্টের। কিন্তু এ নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তৎপরতার অভাবে এটি কার্যকর করা যাচ্ছে না।
যেসব প্লাস্টিক পণ্য একবার ব্যবহারের পর আর কোনো কাজে লাগে না, সেগুলোই সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক হিসেবে বিবেচিত হয়।
২০২০ সালের জানুয়ারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরকে ২০২১ সালের মধ্যে এ ধরনের প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করতে আদেশ দেন হাইকোর্ট। ইতোমধ্যে তিন বছর কেটে গেলেও এ বিষয়ে দৃশ্যমান তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।
ছবি: স্টার
খুলনা নগরীর দৌলতপুরের হোটেল ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান শেখ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, '৪-৫ বছর আগেও সিঙ্গেল প্লাস্টিকের ব্যবহার সেভাবে ছিল না। কিন্তু ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আমি এখন এটি ব্যবহার করি। যদিও আমি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় খুলনা করপোরেশনের নতুন রাস্তা মোড়ের এসটিএস (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার প্ল্যান্ট) প্ল্যান্টে ফেলে আসি।'
'করোনার সময় থেকে অধিকাংশ গ্রাহক একবার ব্যবহার উপযোগী প্লাস্টিকের গ্লাস দিতে অনুরোধ করেন, অনেকেই আবার একবার ব্যবহার করা প্লেট চান। ব্যবসার কথা বিবেচনা করে আমি এসব ব্যবহার করি। আর সত্যি কথা বলতে এগুলো পরিষ্কার করার কোনো ঝামেলা থাকে না। শ্রম কম লাগে, ব্যয়ও হয় কম,' বলেন তিনি।
শুধু খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকার লবণচরা, টুটপাড়া, রূপসা, ফুলবাড়ি গেট অঞ্চলে কমপক্ষে ১৫-১৬টি প্লাস্টিকের কারখানা আছে। দিনে এসব কারখানা বন্ধ থাকে। চালু হয় গভীর রাতে। আর এখান থেকে বিভিন্ন হাতে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে যায় প্লাস্টিক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্লাস্টিকের সবচেয়ে বড় মোকাম খুলনার বড়বাজার। এখান থেকে খুলনা জেলা ও এর আশেপাশের জেলাগুলোতে সিঙ্গেল প্লাস্টিকের বিভিন্ন আইটেম ছড়িয়ে পড়ছে। সেগুলো বিভিন্ন নদী-খাল হয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করছে।
To read the rest of the news, please click on the link above.
এ বিষয়ে এখনই কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এর ভয়াবহতা আরও বাড়বে।
প্লাস্টিক দূষণে হুমকিতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য। ছবি: স্টার
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সুন্দরবন ও এর আশেপাশের নদী-খালগুলোতে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদারকির অভাবে এই প্লাস্টিকের ব্যবহার কোনোভাবেই কমিয়ে আনা যাচ্ছে না। তাছাড়া ব্যবহারকারীদের অসচেতনতার অভাবে সুন্দরবনসহ উপকূলীয় অঞ্চলে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার দিনদিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যবহারের উপযোগিতা ও সহজলভ্য হওয়ায় এটি এখন নিত্য ব্যবহার্য পণ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পরিবেশবাদী ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ বিষয়ে এখনই কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এর ভয়াবহতা আরও বাড়বে।
দেশের উপকূলীয় এলাকার হোটেল, মোটেল ও রেস্তোরাঁয় একবার ব্যবহারের পর বর্জ্য হয়ে যায় এমন প্লাস্টিক সামগ্রীর ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা আছে হাইকোর্টের। কিন্তু এ নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তৎপরতার অভাবে এটি কার্যকর করা যাচ্ছে না।
যেসব প্লাস্টিক পণ্য একবার ব্যবহারের পর আর কোনো কাজে লাগে না, সেগুলোই সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক হিসেবে বিবেচিত হয়।
২০২০ সালের জানুয়ারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরকে ২০২১ সালের মধ্যে এ ধরনের প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করতে আদেশ দেন হাইকোর্ট। ইতোমধ্যে তিন বছর কেটে গেলেও এ বিষয়ে দৃশ্যমান তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।
ছবি: স্টার
খুলনা নগরীর দৌলতপুরের হোটেল ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান শেখ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, '৪-৫ বছর আগেও সিঙ্গেল প্লাস্টিকের ব্যবহার সেভাবে ছিল না। কিন্তু ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আমি এখন এটি ব্যবহার করি। যদিও আমি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় খুলনা করপোরেশনের নতুন রাস্তা মোড়ের এসটিএস (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার প্ল্যান্ট) প্ল্যান্টে ফেলে আসি।'
'করোনার সময় থেকে অধিকাংশ গ্রাহক একবার ব্যবহার উপযোগী প্লাস্টিকের গ্লাস দিতে অনুরোধ করেন, অনেকেই আবার একবার ব্যবহার করা প্লেট চান। ব্যবসার কথা বিবেচনা করে আমি এসব ব্যবহার করি। আর সত্যি কথা বলতে এগুলো পরিষ্কার করার কোনো ঝামেলা থাকে না। শ্রম কম লাগে, ব্যয়ও হয় কম,' বলেন তিনি।
শুধু খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকার লবণচরা, টুটপাড়া, রূপসা, ফুলবাড়ি গেট অঞ্চলে কমপক্ষে ১৫-১৬টি প্লাস্টিকের কারখানা আছে। দিনে এসব কারখানা বন্ধ থাকে। চালু হয় গভীর রাতে। আর এখান থেকে বিভিন্ন হাতে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে যায় প্লাস্টিক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্লাস্টিকের সবচেয়ে বড় মোকাম খুলনার বড়বাজার। এখান থেকে খুলনা জেলা ও এর আশেপাশের জেলাগুলোতে সিঙ্গেল প্লাস্টিকের বিভিন্ন আইটেম ছড়িয়ে পড়ছে। সেগুলো বিভিন্ন নদী-খাল হয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করছে।
To read the rest of the news, please click on the link above.